অবিশ্বাস

ভালোবাসা পাবার অজুহাত


রাগ-অভিমান সর্বদা প্রস্থানের কারণ হয় না। মাঝে মাঝে অভিমান হয় ভালোবাসা, যত্ন পাবার অজুহাত। আমি অভিমান করবো, রাগ দেখাবো, অপরপ্রান্তের মানুষটা আমাকে ভালোবেসে ডাকবে, যত্ন নিবে, আদর করবে। এমনটা ভেবেও অনেকে অভিমান করে থাকে। আপনার জীবনে এমন মানুষ থাকলে তার অভিমান, আহ্লাদের যত্ন নিন, এমন মানুষ জীবনে বারবার আসে না।



অবিশ্বাস


ঝড়ে ভেঙেছে যার ঘর,
পরেরবার সে ঘর বাঁধলে আরও শক্তভাবেই বাঁধবে,
তার ভয় থাকবে, পুনরায় যদি আসে ঝড়!
আর তুমি তো ভেঙেছো সরাসরি হৃদয়,
তোমাকে আর কিভাবে ফেরাই বলো?
কোন বিশ্বাসে ফেরাবো বলো?
বিড়ম্বনা কি স্বাভাবিক নয়?
তুমি কি লাগাবে না ভাঙা হৃদয়ে ফের আঁচড়?



জীবন-মৃত্যুর ব্যবধান


নিজেকে মৃত্যুর দিকে টেনে নেওয়া মানুষ বহু দেখেছি,
তবে নিজেকে জন্মের দিকে নিয়ে যেতে দেখেছো কোন কস্মিনকালে?
শ্বাস তো মাটির উপরে বসতরত সবাই নেয়,
আদতে বেঁচে আছে কজনে?
মৃত্যুতে মানুষ ভয় পায় না,
মানুষ ভয় পায় মৃতের মতো করে বাঁচতে।
মৃত্যু বরং আরও সহজ,
মানুষ ধৈর্য হারিয়ে ফেলে জীবনের নিয়মের কঠিনত্বে।



সত্যিকারের ভালোবাসা


ভালোবাসি বলা মানুষের হয়তো অভাব হয় না,
তবে সত্যিকারের ভালোবাসার মানুষের বড্ড অভাব থাকে।
তাই ভালোবাসলে এমন কাউকেই বেসো,
যে তোমাকে শুধু ভালোবাসি বলতেই নয়,
সারাজীবন হাত ধরে রাখার ক্ষমতা রাখে,
ভীষণ অসময়ে, ঝড়েও তোমাকে তার বুকে আগলিয়ে রাখে।



অনুভূতির বিনিময়ে অপবাদ


কারো উপর ব্যক্তিগত অধিকার জন্মে যাওয়ার বিষয়টা খুবই ভয়ংকর, যদি না বিপরীতে থাকা মানুষটা এটার মূল্যায়ন করে। কারণ ব্যক্তিগত অধিকার জন্মে যাওয়া মানুষের প্রতি অন্য কারো নজর, এমনকি অন্য কারো সাথে হাসতে দেখাটাও সহ্য করা যায় না। এর ফলে আমাদের তার সামনে হতে হয় বিষাক্ত, বিরক্তির কারণ। পেতে হয় এমন দোষারোপের দায়, তাকে সুখে দেখতে নাকি সহ্য হয় না, তার ভালো নাকি চাই না। নিজের অনুভূতির বিনিময়ে এইসব অপবাদ, লাঞ্ছনা নেওয়ার কি প্রয়োজন? তাই কারো উপর ব্যক্তিগত অধিকার জন্মানোর আগেই আমাদের সেখান থেকে সরে আসা উচিত।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন