যাহা হারাইয়া ফেলিয়াছি তাহা হইতে পারে অমূল্য রতন,
তবু তাহা ভোগ করিবার নিয়তি ছিলো না আমার,
নহে সবার নিয়তি পূর্ণ চন্দ্রের মতোন।
যাহা ভাগ্যে লিখিত নহে,
তাহার দিকে লোভ করিয়াই কি হইবে আর?
লোভে যে হয় পতিত, সে তো দুঃখেই করে শুনেছি সংসার পার।
হারাইয়া ফেলিবার পরেও যদি প্রাণান্তে চাহি,
ফের হৃদয় কি পাইবে তৃপ্তি?
যাহা নিয়তিবদ্ধ নহে, তাহা কি ফিরিয়া আসে জীবনে সত্যি?
নিয়তিতে যাহা নাই,
তাহার জন্যে আক্ষেপ করিয়াই বা কি হইবে?
যাতনা ছাড়া আমার হৃদয় আর কিই বা পাইবে?
না, পাইবে না, পাইবে না!
পাইতে হইলে ভাগ্যে লিখিত থাকিতে হইবে।
বরং অপেক্ষা করিয়া যাই,
অপেক্ষা করিয়া যাই সু-সময়ের,
ভাগ্য যিনি লিখিয়াছেন তাহার উপর বিশ্বাস করিয়া যাই,
তাহার উপরে বিশ্বাস করিয়া ধৈর্যের প্রহরই বরং কাটাই।
যাহা আমার ভাগ্যে থাকিবে,
যখন তাহার আসিবার সময় হইবে,
তাহা পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে থাকিলেও উড়িয়া আসিবে,
উড়িয়া আসিবে আমার হাতে, কিংবা ভাতের পাতে।
তাহা আর হারাইবে না,
কারণ তাহা আমার জন্যে নিশ্চিত লিখিত।
তাহা ভোগ করিয়াও পাইবো জানি তৃপ্তি,
যদিও তাহার সীমা হয় অতি ক্ষীণ, অতি সীমিত,
তাহাই রইবে সর্বশেষে, রইবে হইয়া অমৃত।