অচেনা মানুষ
অধিকার বদলে গেলে নামও বদলে যায়।
আমার তুমি, হয়ে যাও কখনো আমার ছিলে।
গোপনে প্রেম ঠিকই থেকে যায়,
দূর হতে মাঝেমাঝে দেখাও হয়।
শুধু জবান আর দৃষ্টিতে নতুন জড়তার সৃষ্টি হয়!
অচেনা মানুষ বলে কথা!
কলঙ্কিত পুরুষ
পুরুষের সম্ভ্রম হলো আত্মসম্মান!
প্রেম, সে তো পুরুষকেও কলঙ্কিত বানায়।
পুরুষের মুখেও লাগায় চুন-কালি।
আর কপালে নষ্টের তকমা!
সব অতীত
কারো দীর্ঘশ্বাস হবার চেয়ে নিজে দীর্ঘশ্বাস ফেলা উত্তম।
কাউকে ঠকিয়ে নিজের ঘাড়ে অভিশাপ বয়ে বেড়ানোর চেয়ে উত্তম ঠকে যাওয়া।
অস্থায়ী জীবনে কাউকে ঠকিয়েই সুখী হবে কতদিন?
কতদিনই বা দহন বয়ে যেতে হবে ঠকে যাওয়ার?
চোখ বন্ধ করলেই সব অতীত।
কবরে লুকানো
অনুভূতি মরে বুক কবর হয়ে গেছে।
ওখানকার ফুল তুলো না সখি।
কবরের ফুল ছিঁড়ে ফেললে অনুভূতিরা কষ্ট পাবে!
যে কষ্টের ভয়েই নিজের আত্মহনন।
যে ভয়ে কবরে লুকিয়ে থাকা।
ধর্ম ব্যবসা
গুদামঘরে আগুন লেগেছে,
মুদি দোকানে পানি ঢালো!
বন্যায় গ্রাম ভাসছে,
শহরে পারাপার সেতু বানাও!
ভুখারা খেতে পায় না,
বেঁচে যাওয়া শিরনী বিত্তবানে পাঠাও!
মনুষ্যত্ব মরে গেছে?
ধর্মের নামে চালিয়ে দাও!
বহুদিন পর
শখ নেই আর! আমার নেই কোন সুখ।
নেই প্রেম, আমি নেই আদৌও।
তুমিও জানো না! জানবেই কীভাবে?
আমাদের জানাশুনা হয় না আজ কতদিন?
কতদিন হলো আমাদের গন্তব্য ভিন্ন পথে?
অদ্ভুত জীবন
কি অদ্ভুত জীবনের সাক্ষী আমি।
আগুন জ্বলে হৃদয়ে, দৃশ্যমান হয় চোখে।
আর পুড়ে জীবন!
প্রতিক্ষায়
কে আসবে? তুমি না, মৃত্যু দূত!
কে কার কাছে আগে যাবে?
তুমি আমার গৃহে, নাকি আমি সৃষ্টিকর্তার গৃহে!
কোনটা আগে ঘটবে?
তোমার আমার মিলন, নাকি মৃত্যু!
জীবন কেটে যায় এভাবেই প্রতিক্ষায় প্রতিক্ষায়।
সম্পর্কের অজুহাতে চুপ থাকি
সবকিছু মিথ্যে হয়ে যায়!
বিশ্বাস শব্দতেও আর বিশ্বাস থাকে না!
যখন কেউ নিজেকে শুদ্ধ প্রমাণ করতে চায়,
যখন কেউ আমাকে বিশ্বস্ততার প্রমাণ দেখাতে চায়।
অথচ তার বিশ্বাসঘাতকতার প্রমাণ আমি পেয়ে গিয়েছিলাম বহু আগেই।
হয়তো আমি সম্পর্কের অজুহাতে চুপ থাকি।
স্বপ্ন
এমন কি কোন সকাল হতে পারে না?
আমি চোখ মেলে দেখবো, তুমি পাশে।
এমন কোন রাত কি আসতে পারে না?
যে রাত তোমার স্মৃতির নয়!
বরং তোমার সাথেই গল্পে গল্পে যাবো আমি ভেসে?
এমন বিপদই কি তবে আসতে পারে না?
যখন তুমি হাত ধরে বলবে,
সামলে নিবো আমরা।
শান্ত করবে আমাকে সামান্য হেসে!